কীর্তনখোলা ডেস্ক
প্রত্যাশা ছিল বড়, কিন্তু বাস্তবতা থেমে গেল সংখ্যায় চারেই। পাকিস্তান সুপার লিগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের বড় উপস্থিতির আশা পূরণ হয়নি। নিলামের মাধ্যমে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে নিয়েছে তিনজন বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে। এদের মধ্যে রিশাদ হোসেনের দল পাওয়া ছিল অনেকটাই প্রত্যাশিত।
দিনের প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তাকে দলে ভেড়ায় রাওয়ালপিন্ডি। নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এটি হবে রিশাদের দ্বিতীয় পিএসএল আসর। আগের মৌসুমে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। সাত ম্যাচে ১৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন রিশাদ। তবে এবার আর লাহোরে ফেরা হয়নি তার।
নিলামে দল পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকও পেয়েছেন রিশাদ। তাকে দলে নিতে রাওয়ালপিন্ডি ব্যয় করেছে ৩ কোটি পাকিস্তানি রুপি। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে নিলামে বিক্রি হন নাহিদ রানা। গত আসরেও তিনি পিএসএলে খেলেছিলেন এবং পেশওয়ার জালমির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এবারও তার ঠিকানা একই দল।
প্রথম ডাকে অবশ্য নাহিদকে নেয়নি পেশওয়ার। পরবর্তী ডাকে ভিত্তিমূল্য কমে যাওয়ার পর ৬০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে তাকে দলে টেনে নেয় জালমি। একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন প্রথমবারের মতো বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সুযোগ পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন। তার প্রাথমিক ভিত্তিমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি।
ওই দামে কোনো দল আগ্রহ না দেখানোয় দ্বিতীয়বার তার নাম ওঠে নিলামে। নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তিমূল্য নেমে আসে ৬০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে। সেই মূল্যেই তাকে দলে নেয় লাহোর কালান্দার্স। একই দলে আগেই সরাসরি চুক্তিতে যুক্ত হয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তাকে ৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে দলে নিয়েছে লাহোর। একাদশ পিএসএলে বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন মুস্তাফিজুর।
এই চার ক্রিকেটারই এবারের পিএসএলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। নিলামে মোট ৫০ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার অবিক্রীত থেকে গেছেন। এমনকি সাকিব আল হাসানের নাম দুই দফা ডাকা হলেও কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখায়নি। শেষ পর্যন্ত নিলামমঞ্চে আবেগের চেয়ে হিসাব-নিকাশই প্রাধান্য পেয়েছে।