রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, এ ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৭ জুনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে পুলিশের সদস্যসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি কিছু ব্যক্তির আর্থিক সহায়তার প্রমাণও মিলেছে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত এ ঘটনার বিচার চেয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা ওই অভিযোগে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।